কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বন্যার পানিতে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে। সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি বিপদসীমার ১১৭ সেন্টিমিটার, চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ১২১ সেন্টিমিটার ও নুনখাওয়া পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ৯৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে তিস্তার পানি কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

এতে করে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে জেলার ৯ উপজেলার ৫৫ ইউনিয়নের ৩৯০টি গ্রাম। বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে প্রায় ৩ লক্ষাধিক মানুষ। বন্যা দুর্গত এলাকাগুলোতে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। গো-খাদ্যের সংকট দেখা দেওয়ায় গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছে বানভাসী মানুষজন।

চরাঞ্চলের বেশির ভাগ মানুষ ঘর-বাড়ি ছেড়ে পার্শ্ববর্তী উঁচু বাঁধ ও পাকা সড়কসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছে।

অন্যাদিকে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকা তলিয়ে যাওয়ায় নাগেশ্বরী, ভুরুঙ্গামারী ও ফুলবাড়ী উপজেলাসহ সোনাহাট স্থল বন্দরের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। পানির প্রবল তোরে রৌমারী উপজেলার চাক্তাবাড়ী এলকায় শহর রক্ষা বাঁধের ৩০ মিটার ভেঙ্গে যাদুর চর ইউনিয়ন নতুন করে প্লাবিত হয়ে পড়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, বন্যার পানিতে ডুবে এ পর্যন্ত চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

Updated: July 16, 2019 — 1:46 pm

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *